জে. জে. থমসনের প্লাম পুডিং মডেল
১৮৯৭ সালে জে. জে. থমসন ইলেকট্রন আবিষ্কার করার পর পরমাণুর গঠন সম্পর্কে একটি মডেল প্রস্তাব করেন যা “প্লাম পুডিং মডেল” নামে পরিচিত।
মডেলের ব্যাখ্যা:
* থমসন পরমাণুকে একটি ধনাত্মক আধানযুক্ত গোলক হিসেবে কল্পনা করেছিলেন, যার মধ্যে ঋণাত্মক আধানযুক্ত ইলেকট্রনগুলো ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।
* ঠিক যেমন পুডিংয়ের মধ্যে কিশমিশ ছড়িয়ে থাকে, তেমনি ধনাত্মক আধানের মধ্যে ইলেকট্রনগুলো বিক্ষিপ্তভাবে ছড়িয়ে থাকে।
* ধনাত্মক এবং ঋণাত্মক আধানের পরিমাণ সমান, তাই পরমাণু সামগ্রিকভাবে নিরপেক্ষ।
মডেলের সীমাবদ্ধতা:
* এই মডেল পরমাণুর কেন্দ্রে থাকা ধনাত্মক নিউক্লিয়াসের ধারণা দিতে পারেনি।
* রাদারফোর্ডের স্বর্ণপাত পরীক্ষার ফলাফল ব্যাখ্যা করতে পারেনি।
তরমুজের সাথে তুলনা:
থমসনের প্লাম পুডিং মডেলকে তরমুজের সাথে তুলনা করা যেতে পারে। তরমুজের লাল রসালো অংশ ধনাত্মক আধান এবং কালো বীজগুলো ঋণাত্মক আধানযুক্ত ইলেকট্রন।
উপসংহার:
যদিও থমসনের মডেলটি পরমাণুর গঠন সম্পর্কে সম্পূর্ণ সঠিক ধারণা দিতে পারেনি, তবুও এটি পরমাণু গঠনের ধারণার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।